রেডিওএ্যাক্টিভ

Deep in Bones, straight from inside

সকাল সকাল দারুন একটা অনুভুতি, হায় হায় আমিতো আসলেই কিছু জানি না, আমিতো কিছুই শিখিনি, যেখানে সেখানে পা তুলে বসে পরি, মানুষের সাথে দারুন একটা কমিউনিকেশন গ্যাপ তৈরী হয়ে যায় সহজেই, আব্বে হালা, কাহা শিখনেকো মিলতাহ্যা ভাই ইয়ে কমিউনিকেশন সেন্স কি  ইয়ে ফান্ডা। ওহ, হো, ভাই! হ্যা না, আপনি আন্দার। হামেশা প্রডিউস হোতে হ্যা না উয়াহা,  


একটা অদ্ভুৎ সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে পৃথিবী, ১৯-২০ এর কভিড সিচুয়েশনের একটা ফানেল থেকে বের হয়েছে সবাই। শুরুর দিকে যে একটা অনুভুতি ছিলো সবার- “এই যাত্রায় বেঁচে গেলে” সেটার একটা মনোলজিক্যাল ইম্প্যাক্ট পড়ছে মানুষের উপর। এ নিয়ে প্রচুর ডাটা শেয়ার হচ্ছে ইন্টারনেটে। মানুষ যেনো  আরো ইন্টারএ্যাক্টিভ হতে চাচ্ছে একে অন্যের প্রতি। ইন্টারনেট হিস্ট্রির প্রথম দিকের কথা মনে আছে, ঐ জাভার স্ক্রীন, ছোট ছোট ফাইল সমৃদ্ধ ওয়েবলিংকস, ফরমেট পরিচিতি- জেপিজি, রাঢ়, পিএনজি, টিএক্সটি, পিডিএফ, এমপিথ্রি। আমি এখনো নোকিয়ার ৩১১০ মডেলের ফোনটাকে খুব মিস করি, Bcz of  টাইপিং রিয়ালিটি।


সেই টিএক্সটি'র প্রতি মনোযোগ, ব্লগিং এর প্রতি এক ধরনের আকর্ষণ তৈরী করে, তারপর একজন ভালো ব্লগার হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু সেই স্বপ্নটা যেনো অধরাই রয়ে যায়। ঝকঝকে কনটেন্ট ও ডিজিটাল ভ্লগারদের কারনে আজকাল আর ব্লগারদের ব্লগ পড়ে সেখানে একটা কমেন্ট করবে সেই সময় আর মানুষের হাতে নেই, আমরা সবাই স্টোরী আর রিলস্ স্ক্রল করতে ব্যাস্ত। সেদিন এক ভ্লগার ভাই জিপিটিকে খুব হালকা ভাবে উড়িয়ে দিলো, যেনো সকালবেলা মুতলেই সে কয়েকটা জিপিটি রিলিস করে। আমি কিছুক্ষণ হাসলাম, ভায়া- সকালবেলা মুতলেই যদি জিপিটি রিলিস দেয়া যেত তাহলে কেউ আর মুত্র বিসর্জন দিতো না, হা হা হা 


কত অসংখ্য প্রাইভেসীর অন্তর্জালে জড়িয়ে পরেছে মানুষ। ব্যাক্তিগত প্রাইভেসী, দলগত প্রাইভেসী, প্রাতিষ্ঠানিক প্রাইভেসী, সামাজিক প্রাইভেসী, রাষ্ট্রিয় প্রাইভেসী, সর্বোপরি কর্মগত প্রাইভেসী ওফ্হো ফা_ং ইয়ার, এখন নিশ্চই তোমার মনে পড়বে- আরে হ্যা ভাই, এই পৃথিবীরই তো কতো লুকোনো প্রাইভেসী আছে। এই প্রাইভেসী & পলিসি ছাড়া পৃথিবীটাও সৌরজগতে স্থান পেতো না । এই প্রাইভেসীর সাথে আবার যোগ হয়েছে পলিসি, কেনো? পলিসিকে প্রাইভেসীর সাথে যোগ করা হল কেনো? তার উপরে আবার টার্মস & কন্ডিশন, রুলস & রেগুলেশনস্ আগার-বাগার যত কিছু। 


চালো, দাম মারো দাম কা, মাজা লেতেহ্যা,


আক্কার বাক্কার বোম্বে বো,

আছ্ছি নব্বই পুরে স’

স’ রুপেকা গাঞ্জোলী

পুরে হাম হ্যা উরান সি!


রাখলো তুমহারি প্রাইভেসী তুমহারে পাস, কোয়ি দিলচাসপি নেহি হ্যা ইয়ার। ইয়ে যো তুম লোগোকা প্রাইভেসী & পলিসি কি আক্কার-বাক্কার হ্যা না, উসকো তো,,, পুট ইয়োর হ্যান্ডস ইন ইয়োর_বুলশিট। এদিকে আবার ঘোষ্ট রাইডারে নিকোলাস কেজ একটা কোড অব কন্ডাক্ট হাতে নিয়ে ভূতের পিছনে তার জলন্ত বাইক নিয়ে দৌড়াচ্ছে তার হাতে একটা জ্বলন্ত শেকল, তারপর আবার ডিসক্লেমার তো আছেই, এইগুলার কি কোন মানে হয় ভাই? 


ইমাজিন ড্রাগনের 'রেডিওএ্যাক্টিভ' মিউজিক লাভারদের জন্য একটা মাইলস্টোন। রেডিওএ্যাক্টিভ গানটার থিম হাইওয়ের ছায়া গানটার সাথে খুব মিলে যায়। ছায়ার পিছনে দৌড়াতে দৌড়াতে তার মনে হল আরে এ তো রেডিওএ্যাকটিভ। সে নিজেকে বারবার প্রশ্নবিদ্ধ করে, পুরনো মরমোনিজমের প্রতি বিশ্বাস হারিয়ে যায় তার। কি যেনো একটা ক্ষুদ্র আশায় জীবন তরীর হাল ধরে সে আবার। জীবনের বিবর্ণ কাপড়ে একটা ছেড়া পতাকা টাঙ্গিয়ে ওদের বিরুদ্ধে মুক্তির ধ্বনি প্রকম্পিত করে তার চেতনাকে। মনে পরে যায় রেডিওএ্যাক্টিভের দুইটা লাইন


All systems gone, the sun hasn't died.

Deep in my bones, straight from inside.


কোন এক অন্ধকারে ছুটে চলে তার জলন্ত বাইক, কাধে একটা জ্বলতে থাকা শেকল, হাতে তার ভূত আর মানুষের সংযোগ সন্ধিস্থাপনকারী ঐ প্রজ্জলিত কোড অফ কন্ডাক্ট।  আচ্ছা রেনল্’স স্যার তাহলে কি এই নাড়ীর খোঁজে মানুষের ছুটেচলা কখনোই থামবে না। স্যার হাসে, 


“প্রচুর সংখ্যক মানুষের কাছে এটা অন্ধকারের পথ, কিন্তু এটা হচ্ছে ইমপাওয়ারিং,

        আর  এজন্যই আমরা এই পথটাকে এমনভাবে উপস্থাপন করি যেনো, স্রোতারা

        এটাকে নরমালি না নিতে পারে”



রেডিওএ্যাক্টিভ ইমাজিন ড্রাগনের এ্যাচিভম্যান্ট ঝুড়ির একটা বড় অংশ, যা রক জগতে ইমাজিন ড্রাগনকে একটা অন্যমাত্রা এনে দিয়েছে। এটা নিজের মধ্যে নিজের অন্যরকম একটা রেভুলুশন, রেভুলুশন ফর এ্যাওয়াকিং, নতুন পথে একটা নতুন যাত্রা যার শুরু একটা ফ্রেশ ওয়েতে। রেডিওএ্যাক্টিভ নিয়ে কৌতুহল বাড়লে রেনল্'সের এই কথাটা খুবই ভালো লাগতে পারে-


"Radioactive, to me, It's very masculine, 

Powerful sounding song, & the lyrics behind  it, but generally speaking, its a song 

        about having an Awakening; kind of waking up one day and deciding to do something 

        new & see  life in  a freah way." - Dan Reynolds.


দৈনন্দিন ঘটে যাওয়া অসংখ্য তীক্ত অভিজ্ঞতা মানব মনে ব্যাপক প্রভাব ফেলে। সেসব থেকে পজেটিভ ফ্লো কে ইনডিভিজুয়ালি আইডেন্টিফাই করা আসলে আমাদের ইন্দ্রীয়তার ব্যাপার। এধরনের প্রয়োজনীয়তাই আমাদের নিয়ে যায় রেডিওএ্যাকটিভ সিচুয়েশনে যেখানে শুন্যতা চষে ফসল ফলানো হয় সোনালী সুদিনের।


কী-ওয়ার্ড:


রেডিওএ্যাক্টিভ, কমিউনিকেশন গ্যাপ, কমিউনিকেশন সেন্স,


উপজীব্য:




Comments

Popular Posts