ছদ্মবিজ্ঞান
কুটিলতায় ঘেরা যত দ্বি-চারীদের দল, খুদকি ট্রেন পাকার কে উসমে ব্যাঠ যা, কিউ দুসরো কি পিছুয়ারা শুংতে রেহতে হো ভাই! ক্যায়সি বদবু আতিহ্যা জাননেকে লিয়ে। তো ফের শুংলে বেটা, খুদকি দুনিয়ামে রাহা কার, যো কুছভি তুঝে চাহিয়ে উধারহিচ মিলেগা সালআ। বাতে কারতে রেহতে হো খুশবু কি অর আন্দার গান্দেগীসে ভারে হো। ভয় তাকে দেখাও যে ভয়কে জয় করতে জানে। ভীতুরা তো ভয়ে বারবার মরেই যায় তাদের কে ভয় দেখানোতে সাহসীকতার কোন কিছুই নাই।
হুমায়ূন আজাদের মহাবিশ্ব থেকে-
“জ্যোতিবিজ্ঞানের মহাবিশ্বে আকাশমন্ডলে কোন স্থান নেই পৌরাণিক দেবতাদের, দেবদূতের, স্বর্গনরকের, পুনরুত্থান; ওসব মানুষের অপকল্পনা। পৃথিবীর দৃষ্টিসীমা একটা নীল আকাশে আবদ্ধ রয়েছে বলেই এবং আরো অনেক কারনে আমরা সহজে বুঝে উঠতে পারি না, আমরাও আকাশমন্ডলের অধিবাসী”।
হুমায়ূন আজাদের ‘মহাবিশ্ব’ বাংলাভাষায় রচিত একটি নিখুঁত বিজ্ঞান বই যা বিপুল তথ্যে গাঁথা। ঐ বইয়ে তিনি ছদ্মবিজ্ঞানকে খুব সুন্দরভাবে সংজ্ঞায়িত করেছেন। বলেছেন- তারা ঐসব বইয়ের অক্ষরে অক্ষরে দেখতে পায় বিজ্ঞান। আগে দেখতে পায়না, পায় পরে; অভিকর্ষ আবিস্কৃত ও গৃহিত হওয়ার পরে দেখতে পায় তাদের বইতেও আছে অভিকর্ষ তত্ত্ব। বিধাতার বইগুলোর তথাকথিত বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা বিজ্ঞান নয়, ওগুলো ছদ্মবিজ্ঞান; বিজ্ঞানের মুখোশ পরে ওগুলো প্রচার করে অন্ধতা। ‘মহাবিশ্বে’ জ্যোতিবিদ্যা আর জ্যোতিশাস্ত্রকে খুব সুন্দরভাবে আলাদা করেছেন হুমায়ূন আজাদ। জ্যোতিশাস্ত্র খুব ভয়ংকর এক কুসংস্কার দিয়ে জ্যোতিবিদ্যার অংশ হতে চায়। সেটা হল- যদি গ্রহ নক্ষত্র তৈরী করে নদীর বন্যা, ঋতুর পরিবর্তন, তাহলে কেনো নিয়ন্ত্রন করবে না মানুষের জীবন? এ কুসংস্কারের নামই হল জ্যোতিশাস্ত্র। অন্যদিকে জ্যোতিবিদ্যা হল সতস্ত্র বিজ্ঞান। ক্যারিস এ হিউজ এ্যামাউন্ড অফ স্কেলড্ ডাটা।
যাইহোক, জ্যোতিবিদ্যার দোষ হল- লিওকে চেনাতে তারও মাঝে মাঝে প্রয়োজন হয় হাজার বছর পুরনো জ্যোতিষশাস্ত্রের, শুধু কি এজন্যই জ্যোতিষশাস্ত্রের প্রয়োজন? না! মনুষ্যত্বের স্থিতিশীলতার অনেককিছুই লুকিয়ে থাকে ঐসব পৌরাণিক কুসংস্কারের মধ্যে। হাজার বছর ধরে মানুষ তাই বয়ে নিয়ে বেড়াচ্ছে ওসব। যারা ছদ্মবিজ্ঞানের প্রচার করে তাদের অবশ্যই মনুষ্যতত্ত্বকে বিজ্ঞান বলে প্রচার করার আগে খুব সুক্ষ সচেতনতা অবলম্বন করা উচিৎ। যেমন : বু্দ্ধিজমকে ধর্মের মোড়কে ঢেকে দেয়ার সময় অবশ্যই সতর্কতা অবলম্বন করা উচিৎ ছিলো, কিন্তু সেটা না করে বোদ্ধারা কি করলো, ওটাকে দাড় করালো একই কাতারে আর তারপর ব্রাশফায়ার, ফলে কি হলো? সকাল বেলার সোনালী রোদে খুন হলো একটা তাজা, রঙ্গীন প্রজাপতি।
মিথ্যে পথের যাত্রী যত দ্বিচারি বান্দর কুল প্রাণী, বিজ্ঞান কল্পলতার আশ্রয়ে লালিত হয় বলে কিন্তু কল্পবিজ্ঞান মানেই বিজ্ঞান নয়। ঠিক তেমনই ছদ্মবিজ্ঞান এমন ব্যাপার যাতে বিজ্ঞানের ছলাকলাগুলো ব্যাবহৃত হয়, কিন্তু ব্যাবহৃত হয় না বিজ্ঞানের রীতিপদ্ধতিগুলো; এতে থাকে না বিজ্ঞানের তত্ত্ব, পরিক্ষা নিরিক্ষা ও তত্ত্ব সংশোধনের উদ্যোগ।
Contempt is the bitter brew that sours the sweetness of understanding, poisoning the well of empathy with its toxic presence. It's a shadow that dims the light of compassion, obscuring the beauty of human connection.
কী-ওর্য়াড:
বির্মূত:

Comments
Post a Comment