ঘূণেপোকা

মৃতভ্রুনের পচা নর্দমা;

নিউরন সেলে ঘূণেপোকারা আক্রমন করছে আজকাল, বসতি স্থাপন করেছে অকুতোভয়ে। ওরা বিদ্রোহ করছে ধরণীর বুকে শান্তি স্থাপনের। চি চি করে বিকট একধরনের শব্দ তুলে বেহুলার কাছে মনশা দেবীর পুজা চায়। লক্ষিন্দরের নিথর দেহ, কাতরপ্রাণ বেহুলার মনোবল ভাঙ্গতে পারে না। আধুনিক এই পৃথিবীর বুকেও আমরা একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি দেখতে পাই। ওরা চায় টাকার কাছে আমরা মাথা নত করি আর ওরা সেই পুজোয় নিজেদের ধন্য ভেবে অগ্রগন্য হতে চায়। হাজার বছর ধরে চলতে থাকা এসব মিথ এখনো প্রশ্ন হয়েই থেকে যেতে চায়। ঈশা মসীহর জন্ম একটা সময় অলৈকিকতার জন্ম দিলে সেটা কালের প্রশ্ন হয়ে রয়ে যায়। আধুনিক কালে এসব প্রশ্ন নতুন কোন ভাবান্তর তৈরী করতে না পারলে, একটা নেড়ি কুত্তা নর্দমায় পড়ে থাকা মৃতভ্রুন ঈশা মসীহর নিথর দেহ কামড়ে রাজপথে নিয়ে আসে। তবে সেটা এই সময়ে নতুন কোন মিথ বা প্রশ্নের জন্ম না দিলেও অনেকের মনে আচর কাটে। যার দাগ থেকে যায়, বিপরীতমুখী চেতনার মানুষদের নিউরনে। 

বংশপুঞ্জির হরফ;

মানুষ নিজের পরিচিত ধারণার বাইরে যদি কোন চেতনা দেখতে পায়, প্রশ্ন তোলে, সন্দিহান হয়, আন্দোলিত হয়। কেউ নিজের মধ্যে ম্যাগমা সঞ্চয় করে স্বগৌরবে উদগীরণ করার জন্য, তো কেউ নিজের মধ্যে গজিয়ে ওঠা চেতনার বীজে প্রত্যহ পূজোর থালা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে প্রকাশ করে। আবার কেউ বংশপুঞ্জির হরফে ললাট ঘষতে ঘষতে ভাবে আহা, কত সুন্দর করিয়া ধরনী। ঐ ঘূণেপোকারা আস্ত একেকটা পাপাত্বা, লোভী, স্বার্থপর। ভেবে নেয় নিউরনের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে ওরা আলো জ্বালাবে, মিছিল মিটিং আর জনমতে তোলপাড় করে সত্যকে মিথ্যা বানাবে, আর মিথ্যাকে সত্য। আরে ও পাপাত্বা, সত্য সে তো জ্বলজ্বলে সত্য তাকে বাববার চিনিয়ে দেয়ার দরকার নাই।



অসহ্য যন্ত্রনা হয় মস্তিষ্কে, বিদ্রোহী ঘূণেপোকাদের  দাবানলে কেটে যায় রাত। ওরা ঘটে যাওয়া ঘটনাকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে, নিজেদের খেয়ালখুশি মতো তৈরী করতে চায় ধোনতান্ত্রিক এক রাষ্ট্রের, যেখানে কোন মুল্যবোধ নেই, অর্থের মাপকাঠিতে মাপা হয় জীবনের,  মুল্যায়ন করা হয় অস্ত্রের ক্ষুরধারের। সেই অস্ত্রটা কোন ধাতুর তাতে ওদের কিছু যায় আসে না। তারা নাকি ‘গণ’ তৈরী করে? সেসব ‘গণ’ দিয়ে তৈরী করা হয় কাল্পনিক মত। সেই মতের উপর ভিত্তি করে নির্মান করা হয় পাঁচ বছর ব্যাপ্তি নাতিদীর্ঘ চলচিত্র। অথচ সেখানে ফাঁদ পাতা হয় নীল নকশার। সেসব নীল নকশার লুকিয়ে রাখা হয় সভ্যতার আড়ালে, ব্যাবহার করা হয় নিরীহ মানুষের পেটে লাথি দেয়ার জন্য। 


নগরায়নের জয়গান;

সেসব ঘূণেপোকারা নগরায়নের জয়গান গায়, ক্ষুধার পারমানবিক চুল্লীতে হারিয়ে যায় জীবন্ত যত সবুজ গাছ, সেই ঘূণে পোকারা নিজেদের মিথ্যে পরিচয় জেনে, সেটাই আবার নিজেদের জানায়! ওরা- মিথ্যের জয়গান গায়, ওরা-মিথ্যের সাথে বসতি স্থাপন করে আর মিথ্যার প্রেমে পড়ে। মস্তিস্কের আনাচে কানাচে ঐসব বিদ্রোহী ঘূণেপোকার চি চি শব্দে, শ্লেষ্মাত্মক ধিক্কার। কোন সন্ধি বা চুক্তির প্রয়োজন বোধ হয় না আর, অথবা কোন আকুতি আসে না শান্তির। যে মস্তিস্কের নিউরনে ঘূণেপোকারা সঞ্চয় করছে ম্যাগমা, সেখানে অগ্নুৎপাতে আর ভয় কিসের?


Citizen's Melody;

Fostering a culture of open dialogue is the heartbeat of democracy, weaving a tapestry where diverse voices harmonize. This culture transforms differences into a symphony of ideas, ensuring that every citizen's melody is heard. It is the crucible where understanding is forged, empowering societies to navigate the cadence of change with resilience, unity, and an unwavering commitment to democratic ideals.







Comments