দ্যা পোয়েট
ট্রেনের বগিতে আগুনে পুড়ে যাওয়া মৃত্যুর চিৎকার ভর করেছে অসংখ্য ফরিদের গলায়, নস্টালজিকদের মেটাল ঝংকার আকাশ বাতাশ কাঁপিয়ে তুলছে, দুলছে পাঠশালার মাঠ আর গাছ, ইয়াবড় বেহালাটা হটাৎ বেঁজে উঠেছে বেসুরো ক্ষ্যামটা তালে- “আমার শক্তি, কবিতা, অস্থি, রেখে যাবো তোমাদের কাছে, যা তোমাদের নেই! ছিলো না কোন কালেও”
ফরিদ ভাই, এটাকে তুমি আত্বঃকথা বলে দাবি তুলেছো! হ্যা এটা আত্ব:কথা, অসংখ্য বেওড়ার কিছু দুঃখের স্বৃতি, কোলাহলে আনমনে ভাবা কিছু দুর্বোদ্ধ কথা, জ্বাতিঃস্বরে- চোখে জল চলে আসা বাক্যের কিছু ম্যানুসস্ক্রিপ্ট।
হাওয়া দেখে, বাতাস খাওয়া ইহলৌকিক চাহিদাসম্পন্ন কিছু পথিক কবির চিৎকার- ‘ওদের বাঁচানোর জোর চেষ্ঠা করে প্রত্যেকে মরে গেছে। আমি জীবিত থাকলে উল্লেখিত লাইনগুলা ভাবতে পারতাম, লিখতে পারতাম না!
বিশ্বকোষের অঙ্গিকার নিয়ে তোমরা কিভাবে বলতে পারো, কথার মধ্যে ইংরেজী শব্দের ব্যাবহার করা, ভাষার বিকৃতি, তাইলে কথার মধ্যে অনান্য ভাষার শব্দ ব্যাবহার করাও ভাষার বিকৃতি, থামে ভাই! এইগুলা আজগুবি কথাবার্তা বাদ দাও। নিজেকে এক্সপ্লেইন করার জন্য ভাষার সৃষ্টি, #ভাষা_কথা_আর_অঙ্গভঙ্গি থেকে দুর্বোদ্ধতা দুর করার জন্য ব্যাকরণের আগমন। #ভাষা_কথা_অঙ্গভঙ্গি মুলত কোন কালেই ব্যাকরনের নিয়মকানুন মেনে সংঘটিত হয় নি। বরং আমরাই ব্যাকরণ দিয়ে ভাষাটা বোঝার চেষ্ঠা করি। কিন্তু আজকাল যেভাবে ব্যাকরণ শেখানো হয় তাতে মনে হয়, ব্যাকরণের জন্যই ভাষা- ভাষার জন্য ব্যাকরণ নয়।
আমেরিকান মিউজিক স্ট্যাইলে ‘দ্যা পোয়েট’ টাইটেলে রায়ান বিংহামের একটা গান আছে, যেখানে হোমস্টাইল, মাউথঅর্গান আর ফোক ও রক মিলিয়ে যে পোয়েট্রিক্যাল ককটেল বানানো হয়েছে তা আধুনিক সময়ে কবিতার অনিন্দ্য উপস্থাপন। ইয়োলোস্টোন নামের ঐ মিউজিক ব্যান্ড আসলে কবিতার উপস্থাপন করা শেখায়। তাদের শক্তিশালী লিরিক্স, আর উপস্থাপনের স্টাইল মনোমুগ্ধকর। রায়ানের গানের একটা লাইন,
“টাকা আমার আত্বাকে কিনতে পারেনা, কারন এটা এসেছে কোন হার্ডার জায়গা থেকে”
আমি খেয়াল করলাম রিসেন্টলি ‘দ্যা পোয়েট’ এম এফ হোসাইন নামে এক বাঙ্গালী ভাই, সোস্যাল মিডিয়ায় রাইয়ান স্টাইলে তার কিছু কবিতা উপস্থাপন করছেন যা সত্যিই আসাধারন, শক্তিশালী লিরিক্স, অনবদ্য উপস্থাপন, আর বেসের শব্দমালায় ফরিদ ভাই, যে কথাগুলো বলছে দ্যাটস্ আউটস্ট্যান্ডিং, যতবার শুনতেছি, কেউ যেনো হৃদয়মন্দিরে ঢং ঢং ঢং ঘন্টা বাজিয়ে যাচ্ছে, স্যালুট ভাই।
কবিদের এই নিরবতা যদি তোমাদের শক্তি হয়ে ওঠে, তাহলে জেনে নিও, এই নিরবতার উত্তর দেয়ার মতো সক্ষমতাও তোমাদের থাকা প্রয়োজন, থমথমে নিরবতার পরে সরব কৌতুহলের কোলাহলের সামনে দাড়িয়ে বুকফুলিয়ে সত্যিকথা বলার মতো সাহস সঞ্চয় করে নিও, মানুষের এই নিরবতা কে তোমরা দুর্বলতা ভাবছো, সহজ সরল মানুষদের তোমরা বোকা ভাবছো, সহজ সরল নিরব ঐ মানুষেরা একেকটা ঘুমন্ত আগ্নেয়গিরি, তোমরা সেই অগ্নুৎপাতের অপেক্ষায় থেকো, এবার “দ্যা পোয়েটেরা” বলা শুরু করেছে, ওরা বলবে, তোমাদের সাজানো এই মিথ্যাচারের অন্তর্জাল ভেদ করতে তারা কখনোই নিরব থাকবে না। দ্যা পোয়েট স্বরণে-
“আজ সুযোগ এসেছে ঘৃণার সমাধি থেকে নিজের কংকাল তুলে হৃদপিণ্ডে ভালোবাসার যন্ত্র প্রতিস্থাপনের। এ সুযোগ সীমিত সময়ের জন্য।
Poetry serves as a unique form of expression, capturing emotions, perspectives, and societal nuances. Poets contribute to a country's cultural identity, fostering a deeper understanding of shared experiences and diverse voices. Through verse, they explore themes that resonate with individuals, fostering empathy and connection. Poets often serve as critics, offering insightful reflections on society, inspiring change, and influencing collective consciousness. In essence, poets play a vital role in shaping the cultural and emotional landscape of a country.

Comments
Post a Comment