চাটুকারিতা
কিছু তেলবাজ, চাটুকার, স্বার্থন্বেশী লোকজন চারপাশে ভীর জমিয়ে মজমা করা যায়, মনুষ্যত্বের বিকারগ্রস্থতার হকারি করা যায়, মানুষকে ধোকা দেয়া যায়। নিজের মননশীলতার, নিজের সৃষ্টিশীলতার আরাধনা করা যায় না। নিজের বিপরীতমূখী চেতনাকে ভালোবাসতে শিখো, যে তোমার বিরুদ্ধ আচরন করছে, তাকে জানতে শেখো, তার বিরোধিতায় হয়তো তোমার বিকারগ্রস্থতার ধ্বংস হতে পারে। তার কথায় হয়তো তোমার রূহ কেঁপে উঠতে পারে, ভয় পেওনা, তোমার রূহকে জাগিয়ে তুলতে সত্যের মুখোমুখি হওয়াটা খুব প্রয়োজন।
তোমার চারপাশে স্যার, স্যার, বলতে থাকা কিছু ভীতু লোকেদের মুখের দিকে তাকিয়ে তুমি ভাবছো, তারা তোমাকে সম্মান দিচ্ছে! তোমার ভুল ধারনা এখনই ভেঙ্গে গুড়িয়ে দাও। ওরা সময়ের ভয়ে, সময়ের প্রয়োজনে তোমাকে সম্মান করছে। আব্বে সত্যিকার সম্মান, ভক্তি এসব মানুষের অন্তরে লুকিয়ে থাকে, সেটা দেখা বা ছোয়া যায় না। তোমাকে সম্মান প্রদর্শন করতে গিয়ে যদি কেউ আবেগে আপ্লুত না হয় তাহলে সেটা কিসের সম্মান, কিসের ভক্তি? আমি পারিনা মিথ্যা চাটুকারিতায় নিজেকে জাহির করতে, পারিনা সবার সাথে তেলবাজিতে সামিল হতে! এটাকে আমি নিজের চেতনাশক্তি ভাবি, আমি যখন তোমাদের দেয়া বিষণ্নতায় পরি, আমার এই ক্ষুদ্র চেতনাটুকুই আমাকে পথ দেখায়, ভাঙ্গা বুকে আবার নতুন করে বেঁচে থাকার শক্তি জাগায়। আমি মানুষের সতন্ত্রতাকে স্যালুড করি, আমি সতন্ত্রতার সাফাই গাইছি না, আশাও করি না কেউ সতন্ত্রতার সাফাই গেয়ে বেড়াক, "কিউকি যো খুদকো ইনফিনিটিকা হিস্সা মানতে হ্যা উসকো খুদকি সাফাই নেহি চাহিয়ে, নেহি চাহিয়ে লোগোকি সাফাই"
একটা স্যাঁতস্যাতে জায়গায় সূর্যের আলোহীন স্থানে গজিয়ে ওঠা কয়েকটা ব্যাঙ্গের ছাতার সৌন্দর্যে অভিভূত হয়ে আছো, 'আব্বে শুন, গালাদফ্যামি কো দুর কারলে ভাই! প্রকৃতি তার নিজ প্রয়োজনেই গজিয়ে নিয়েছে ওসব ব্যাঙ্গের ছাতা। মানুষ দিবালোকে যা করে সেটা সুন্দর, তার সৌন্দর্য ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্র, সেটার সৌন্দর্য মনোযোগ দিয়ে খেয়াল করতে হয় না।
মানুষ চায় তার কাছের মানুষজন তাকে আপলিফটিং করুক। তার মানে এই নয়, তেলের প্রয়োজনে সবকিছু তেলতেলে হয়ে যাক, তৈলাক্ত মাথায় কেউ তেল ঢালুক। আর তোমরা রিসপেক্টেশন আর ডিসরিসপেক্টেশনের মধ্যে পার্থক্য বোঝ না, অবিডিয়েন্টদের সরলতার মাঝেও তোমরা আজকাল ডিস-রিসপেক্টেশনের গন্ধ খুঁজে পাও। তেলবাজদের চপলতার ভীরে তাদের নির্লিপ্ত আচরনে তোমরা হতবাক হয়ে যাও। তাদের বুঝতে না পেরে জীর্ণ, স্যাঁতস্যাতে আর পুরনো অভিজ্ঞতার ভান্ডার হাতিয়ে কি খুঁজে ফিরছো ভাই।
এদিকে চিরকুট আপুরা আমাদের সায়েন্স শেখায়, ওফহো, এতো মহামুশকিল, আপু দ্যাখো, শিক্ষার কান্ধে চড়ে মার্কেটিং, ব্যাবসা বানিজ্য চলাফেরা করে, শিক্ষা কখনো মার্কেটিং বা ব্যাবসা বানিজ্যের কান্ধে চড়ে না, চড়ার প্রয়োজনও পরে না। চিরকুট আপু, আমি তোমার কম্পিটিটর নই, নিজেকে জাহির করতেও আসিনি, অথবা আমি তোমাকে জানাতে আসিনি- কোনটা রং আর কোনটা রাইট, সেটা আমার থেকে তোমরাই ভালো জানো। আমি বলতে চেয়েছিলাম যেটা যেরকম, সেটাকে সেভাবেই উপস্থাপন করা উচিৎ। আজকাল মোবাইল ফোন আমাদের জীবন-জীবিকার মুল উপজীব্য হয়ে দাড়িয়েছে অথচ আমরা এখনো মোবাইল ডিভাইসকে খারাপভাবে উপস্থাপন করছি। এ্যান্ড্রোইড ইভ্যুলুশন যখন হিউম্যানোইড পর্যায়ে এসেছে তখনও আমরা সংস্কৃতির কলামে সভ্যতার ধ্বংস খুঁজে পাচ্ছি, হা! হা! হা! ন্যাচেরাল সিবলিংস্ ?
আর আমাদের কাজল আরেফিন অমি ভাই, অসময়ে ব্যাচেলর পয়েন্টে গিয়ে কাবিলা ভাইকে এক ব্যাগ টাকা দিয়ে কই জানি কিডনি কিনতে পাঠাইছে, বেচারা কাবিলা ভাই; টাকার ওজন নিতে না পেরে, কিডনি বিক্রেতাদের অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে, তাবলীগ ভাইদের সাথে চিল্লায় যায়, উপাসনালয়ে ধর্মকর্মে আত্মনিয়োগ করে। কাবিলা ভাই, কই তুমি, এই পৃথিবীর প্রয়োজন মেটাতে আমি আমার দেহের অপ্রয়োজনীয় একটা কিডনি বিক্রি করবো? কিডনি বিক্রি করা টাকা দিয়ে আমি একটা "হাব" বানাবো, সেই হাবে মানুষের মস্তিষ্কের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে আলো জ্বালানোর জন্য কাজ করা হবে। সেই হাবে, মানুষের অন্তরের কুলষতাকে দুর করার জন্য ওপেনহার্ট সার্জারি করা হবে। কাবিলা ভাই নাকি আবার রে্প গানও গায়, "হাবের হ না বুইজ্জা"। ভাই গানটা সুন্দর ছিলো, কিন্তু সেসময় দারাজওয়ালারা যে হাব বানানোর চেষ্ঠা করছিলো, সেসব থামিয়ে আজ তোমরা যে হাব বানিয়েছ তাতে শুধু ব্যাঙ্গের ছাতাই উৎপন্ন হয়।
এজন্যই কি জুনায়েদ ভাই চিৎকার চেচামেচি করে বলে উঠে, আমাকে বুঝতে যেওনা, আমাকে বুঝতে হলে তোমাকে বধির হতে হবে!
Obsequiousness is excessive compliance or fawning servility. To curb this behavior for mankind, fostering a culture that values independence, critical thinking, and respectful assertiveness is crucial. Encouraging open dialogue and teaching individuals to express their opinions without fear of retribution can contribute to a more balanced and empowered society. Emphasizing the importance of genuine connections over superficial flattery can also help reduce obsequious tendencies.
কী-ওয়ার্ড:
মনুষ্যত্বের বিকার, চাটুকার, স্বার্থন্বেশী, মননশীলতা, সৃষ্টিশীলতা, স্বতন্ত্রতা, সম্মান, ভক্তি, চেতনাশক্তি, ইনফিনি্টি, এন্ড্রোএড ইভুলুশন, হিউমেনোয়েড, আপলিফটিং, ন্যাচেরাল সিবলিংস, ধর্মকর্ম, Obsequiousness, critical thinking, superficial flattery, genuine connections,obsequious tendencies.
উপজীব্য:
চাটুকারীতায় ধ্বংস হয়ে যাওয়া মনুষ্যত্ব, হিউম্যানোয়েড এন্ড্রুয়েড পর্যায়, শিক্ষার কাধে চাপা মার্কেটিয়ের বিজ্ঞাপন, আলোহীন চেতনাশুন্য স্যাতস্যাতে অন্ধকারে গড়ে ওঠা ব্যাঙ্গের ছাতা।

Comments
Post a Comment