টেইলর সুইফট
টেইলর সুইফটের ‘ক্রেজিয়ার’ গানটা অ্যকুস্টিক গিটারে বাজানোর জন্য উপযোগী গান। আমি খেয়াল করলাম সব সিংঙ্গারেরই একটা এমন গান থাকে, যেটা গেয়ে ওঠার জন্য পার্ফেক্ট, আমার ধারনা সেই গানটা প্রতিটা সিঙ্গার তার ভক্তদের গেয়ে ওঠার জন্য ডেডিকেটেড করে থাকে । যেমন- কোথাও মাইকেল জ্যাকসনের ড্যানজারাস্ অথবা বিলি জিয়ান গানটা বেজে উঠলে আমাদের দেহে যেভাবে খুব তারাতারি ছড়িয়ে পড়ে ঠিক তেমনই কাছেপিঠে কেউ ‘ইউ আর নট এ্যালন’ শুনলে, গলা ছেড়ে গেয়ে ওঠতে মন চায়। অনেকে সব সোলো গানকেই গেয়ে ওঠার মত ভেবে থাকেন। কিন্তু সব সোলোই গেয়ে ওঠার মতো গান নয়। রিসেন্টলি 'হাওয়া' সিনেমায় ‘এ হাওয়া’ গানটা এতো শ্রুতিমধুর, শুধুমাত্র চুপচাপ শোনার জন্য। গানটার রুটিনটা খুব কমপ্লেক্স, একধরনের হার্টএ্যাচ অনুভুতি দেয়।
যাই হোক, টাইম ম্যাগাজিনে টেইলর সুইফট কে উইমেন্স অফ দ্যা ডিকেট ঘোষনা করা হয়েছে। শুধু তাই নয় তাকে ২০২৩ এর ‘পারসন অফ দ্যা ইয়ার’ সর্বোচ্চ্য উপার্জনকারী নারী, এবং প্রভাবশালী ব্যাক্তিত্ব ঘোষনা করা হয়েছে।
প্রথম আলোর সপ্ন নিয়েতে, বিলবোর্ড প্রকাশিত টেইলর সুইফটের সেই সাক্ষাৎকারটি অনুবাদ করেছেন আদর রহমান। ঐ সাক্ষাৎকারে তার অনুভুতি ও উপলব্ধি আলোচিত হয়েছে। তাকে জিঙ্গেস করা হয়েছিলো সাফল্য ও ব্যার্থতাকে আপনি কিভাবে দেখেন? তার উত্তর ছিলো-
’’হোচট কে ভয় পেয়ো না, নিজেকে ব্যার্থ হওয়ার অনুমতি দাও। আমি অনেক অনেক চেষ্ঠা করি ব্যার্থ না হতে। কারন হেরে যাওয়া বিব্রতকর। কিন্তু সেই সঙ্গে আমি নিজেকে ব্যার্থতার জন্য প্রস্তুত রাখি, নিজেকে পরাজয়ের অনুমুতি দিয়ে রাখি। তোমরাও রেখো। নিজের উপর সহানুভূতিশীল ও সহজ হও। নিজেকে হারতে দাও। নিজের জন্য সঠিক সিদ্ধান্ত নাও।
টেইলর সুইফটের এই সুন্দর অনুভুতি তাকে যে উপলব্ধিতে পৌছে দেয়, তা হল-
''মানুষের সমালোচনা, বিতর্ক, দ্বিধা, সংসয়, বৈরিতা এগুলো জীবনের অংশ। আমাকে তাদের জন্য নয়, নিজের জন্য প্রস্তুত হতে হবে। নিজের সাথে সন্ধি করতে হবে, নিজের প্রতি নমনীয় হতে হবে। আমার এই উপলব্ধি তরুনদের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে চাই। অন্যের জন্য নয়, সৃষ্টি করো নিজের জন্য'' -সুইফট
এতো পরিচয় ছাড়াও টেইলর সুইফটের আরেকটি অনবদ্য পরিচয় হল সে একজন ভালো স্টোরী টেলার। এই সময়ের টেইলর সুইফটের ব্যান্ড ‘দ্যা এজেন্সি’ ন্যারেটিভ কমিউনিকেশনের উপর খুব ফোকাস করছে।
যেখানে বলা হয়েছে গল্প বলার শক্তি শুধু তার মিউজিক আর্টেই প্রভাব ফেলেনি বরং টেইলরের জীবনের সাচ্ছন্দ্যকে ও ভক্তদের ভালোলাগায় একধরনের পার্সপেকটিভ দিকনির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছে।
টেইলরের মিউজিক্যাল সেন্সেস টিনেজদের মনে জায়গা করে নিতে বিশেষ অবদান রাখে।
স্টোরী টেলিং বিষয়ে আরো বেশি দক্ষতা অর্জনের জন্য টেইলর চারটি বিষয়ের উপর আরো গুরুত্ব দিতে বলেছেন, এগুলো হল-
ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানো, ডিটেইলসে আরো বেশি এ্যাটেনশন নিয়ে আসা, ইমোশনকে প্রকাশ করতে আরো স্ট্রং ভিজুয়ালস্ ব্যাবহার করা, এবং লেখালিখি চালিয়ে যাওয়া’’
টেইলরের অনেকগুলো প্রিয় উক্তির মধ্যে একটা হচ্ছে, নোরা ইফরনের মোটো, ‘ইভরিথিং ইজ কপি’। উক্তিটির বিষয়ে টেইলর বলছে-
’’আমাদের দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি অভিজ্ঞতাই আমরা ক্রিয়েটিভ ওয়ার্কে ব্যাবহার করতে পারি। যা কিছু ঘটছে, ভালো-মন্দ যা কিছু, সবই আমাদের লেখার উপজীব্য হতে পারে। আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি, আমাদের পর্যবেক্ষন, এমনকি আমাদের নানা রকম ভুল, সবই হতে পারে গল্প লেখার মেটেরিয়ালস্। এজন্য ভয় পাওয়ার কিছু নেই, আমাদের লেখাটা সম্পুর্ণ অরিজিনাল নাও হতে পারে। দ্বিধা ও ভয়ের পরিবর্তে আমাদের খোঁজা উচিৎ - গল্পের গভিরতা আমাদের জীবনের স্পেসিফিক ঘটনাগুলোকে কিভাবে আইডেন্টিফাই করতে সাহায্য করে। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা আসলেই অনেক মুল্যবান, যা দিয়ে আমরা অনেক মেনিংফুল, ক্রিয়েটিভ, ও রিজনেট গল্প লিখতে পারি”
''Storytelling is the timeless art of weaving words into worlds, creating a bridge that connects hearts and minds across time and space. In its magic, narratives breathe life into ideas, fostering empathy, understanding, and a shared human experience" -GPT
কী-ওর্য়াড:
Women of the Decade, ড্যানজারাস্, বিলি জিয়ান, ইউ আর নট এ্যালন, এ হাওয়া, সর্বোচ্চ্য উপার্জনকারী নারী,
প্রভাবশালী ব্যাক্তিত্ব, দ্যা এজেন্সি, ইভরিথিং ইজ কপি, ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা,
বির্মূত:


Comments
Post a Comment