ফ্রিলান্সিং

সময়ের চাহিদা;

কয়েকদিন আগে এক ছোটভাইর টাইমলাইনে জনপ্রিয়তার সংজ্ঞা দেখলাম, পড়ে খুব ভালো লাগলো আহা, কি সহজ ভাব! কি সুন্দর চমকপ্রদ কথাবার্তা। তো ফের ঠিক হ্যা ভাই, খুদপে ফিল্টার লাগাও, নেহি চাহিয়ে পপুলারিটি কি সাস্তে বাকওয়াজ। আজকাল নাকি মানুষ নিজেই নিজের স্রষ্টা আর দ্রষ্টা হয়ে উঠেছে! তার মানে মানুষ নিজেই নিজের জাজমেন্ট করবে এটাই স্বাভাবিক। তুম কন হোতে হো ভাই, জাজম্যান্ট কারনে কে লিয়ে? খুদকো জাজমেন্ট কারো, একবার নয়, বারবার, হাজারবার, কাভিভি, কাহিভি, যাহা খুদকি কামি ম্যাহসুস হো।

কৃষি পৃথিবীর সবচেয়ে মহৎ পেশা

সেদিন কারা যেন কর্ম দিয়ে মানুষকে মাপতে গিয়েছিল, আবার বলছি, কখনো ভুল করেও কর্ম দিয়ে কাউকে মাপতে যেও না, তুমি তার কর্মটাকে মাপতে প্রয়োজনে যন্ত্র লাগাও, কিন্তু তার কর্ম দিয়ে যদি তাকে মাপতে যাও, তাহলে ব্যাক্তিটাকে তুমি কখনোই চিনতে পারবে না। কর্ম মাপার পরে তুমি পরিসংখ্যান তৈরি করতে পার, প্রোগ্রামিংকে তোমরা পৃথিবীর সবচেয়ে সেক্সি জব বলতে পার, ফ্রিলান্সারদের তোমরা বাঁধনহারা পাখি বলতে পার, নার্সিংকে মহৎ পেশা বানাও, ডাক্তারদের ইশ্বরের মুরতি বানাও, ইঞ্জিনিয়ারদের রুপকার বানাও,  রাষ্ট্রনেতাকে জাতির পিতামাতা বানাও, কিন্তু লয়ারদের, লায়ার বানানো বোকামি ছাড়া কিছু নয়।

সেল টেলেন্ট ‍এনিহয়্যার;

ফ্রিলান্সিং করতে গিয়ে সবাই কেনো ফাইভারে গিগ তুলতে ব্যাস্ত হয়ে পরে, বুঝিনা? তারপর, দুচারটা গিগ তুলে ছিপ নিয়ে বসে থাকা, এ্যাই ফইলতায় টোকা পরলো বুঝি? আমি অবাক হয়ে যাই, তোমরা ফ্রিলান্সিং করতে যাও কেনো? ছিপ নিয়ে নদীর পাড়ে যাও, দিনশেষে একটা দুইটা চুনোপুঁটি তো পেয়ে যাবে। ব্যাস, হয়ে গোলো তোমাদের ফ্রিলান্সারের মা-ব্যাহেন। ফ্রিলান্সিং শিখতে গিয়ে যদি ফ্রিলান্স শব্দটাকে বুঝতে পারতে, তাহলে অবশ্যই ছিপ নিয়ে বসে থাকতে হতো না।

আঁকিবুকির মনোযোগ;

এটা সত্য যে, আমরা আমাদের ছোট্ট জীবনে যতটুকু অভিজ্ঞতা, যতটুকু জ্ঞান আরোহন করি সেটাকেই আমাদের পুঁজি ভেবে নিয়ে কোনকিছু একটা করা শুরু করি, দিনশেষে আমাদের সেই কর্ম যখন আমাদের ইফোর্ট হয়ে দাড়ায়, আমরা বুঝতে পারি আমাদের এমন কিছু করা দরকার ছিলো যা আমাদের জীবনযাত্রাকে আরেকটু রিলিয়েবল করতে পারে? এই অনুভুতির প্রেক্ষিতে আমরা যা করি, সেটাতেই আরো মনোযোগ দিয়ে দেই, সেটাকেই আরো বিল্ডআপ দেয়ার চেষ্ঠা করি, অনেক আঁকিবুকির পরেও কেনো যেনো সবকিছু আরো খারাপের দিকে যেতে থাকে, এর কারন হিসেবে সাইকোলজিষ্টরা নিজেদের অনুভব করা লেকিংসের দোষ দেয়, অথচ নিজেদের মধ্যে খুুঁজে পাওয়া লেকিংসই আমাদের ফিটেস্ট করে তোলে, নিজের অনেকগুলো সম্ভাবনা কে জাগিয়ে তোলে। 

ওপেন র্সোস সফটওয়্যার;

একটা সফটওয়্যারে কাজ শিখতে গিয়ে ফ্রিলান্সারা কই জানি হারিয়ে যায়, তারপর তারা ফ্রিলান্সার হয়ে সবার প্রথমেই চলতে চলতে শেখার মজাদার ব্যাপারটা ভুলে যায়। একটা সফটওয়্যারে কাজ শেখা মানে এই নয় পুরো সফটওয়্যারটাকে মাথায় নিয়ে ঝিম মেরে বসে থাকা। এটলিস্ট, যে কোন প্লাটফর্মে, যে কোন বৈরিতায়, যে কোন ডিমান্ডেবল কাজের চ্যালেঞ্জ নেওয়াটাই ফ্রিলান্সাদের উদেশ্য হওয়া উচিৎ। নিজেদের জন্য আলাদা ইকোনোমিক সিস্টেম তৈরী করার ক্ষমতা কেবল একজন ফ্রিলান্সারেরই থাকে। ফ্রিলান্সার হওয়াটাকে তুমি যদি কয়েকটা গিগ, সোসাল মিডিয়ার কয়েকটা পোষ্ট, আর চাটুকারি কিছু কমিউনিটি ওয়ালাদের পা চাটা ভেবে থাকো, তাহলে তুমি বোকার স্বর্গে বাস করছ, কেউ তোমার পায়ে সুবর্ণরেখার, ঋত্তিক ঘটকের মতো, সেই কেনরের, শিকল পরিয়ে ফেলেছে। ভেঙ্গে ফেলো পায়ে বাধা যত শেকল, নিজের ডানায় আর একবার শক্তি সঞ্চয় করে ঝাপটা দাও, দেখ, উড়তে পার কি না?

শব্দ ও শব্দের উৎস;

এদিকে লালনের সুমি আপু গান গায়, ক্ষ্যাপারে কেনো খুজিস মনের মানুষ, বলে সর্বদাই। আচ্ছা কেউ তাকে কি বলে না! ওটা 'বলে সর্বদাই নয়, ওটা 'বনে সর্বদাই? কেউ কি তাকে বলে না, একটা শব্দের একটা অক্ষর পুরো ভাবটাই ভারসাম্যহীন করে দেয়। তাকে কি কেউ বলে না, এই ক্ষ্যাপারে খুজঁতে গিয়েই অন্ধরুতিরা বনে হাড়িয়ে যায়। তাকে জানানো উচিৎ, সবাই লালনের গানে উন্মাদনা খোঁজে না, কেউ কেউ ভাব খোঁজে। তারা জানেনা বলে ভুল গান গায়, তার মানে এই নয় যে কেউই জানেনা। জানে অনেকেই কিন্তু বলে না।

Freedom & Freelancing;

One special aspect of freelancing is the freedom it offers. Freelancers have the flexibility to choose their own projects, set their own schedules, and work from virtually anywhere. This independence can be liberating, allowing individuals to pursue their passions and balance work with other aspects of life.




Comments