‘শুভমের নামে শিদুর খেলায় জর্ডান’
“হেয় লিসেন, ডু ইউ থিংক, আই এ্যাম দ্যা ফাকি_ র্পাট অফ ইওর গেম, হ্যা, নো ম্যান, ইউ আর ওয়ান অফ দ্যা উইচ, ফর মাই গ্রোমিং চ্যানেল হুইচ আই হ্যাভ চুজেন এন্ড প্লিজ ডোন্ট ট্রাই টু ডাইরেক্ট মি ইন ইওর ডিজায়ার আদারওয়াইস আমি তোমার এতোটা কাছে আসতে পারি যেখান থেকে ডেসপারেট যেকোন কিছু করে ফেলা সম্ভব এন্ড আমাকে তুমি ডেসপারেট হতে বাধ্য করো না”
গোধুলীলগ্নে, তার এক্স কে এভাবেই বলেছিলো জর্ডান। কিন্তু তার এক্স ছিলো লুক্রেসীর মতেই ধীর এন্ড স্থির। মনে আছে রেপ অফ লুক্রেসীর কথা, ঘটনাটা ঘটানোর জন্য উইলিয়ামস যেনো মরিয়া হয়ে উঠেছিলো, হ্যা, রক্ত, রক্ত আরো রক্ত, এই রক্তের ধারায় ধুয়ে যাক জড়া, যার কোন অগ্রামী নেই অথচ র্জডান অগ্রামীর প্রতিটা দাগ দেখতে পায়, বুঝতে পারে অগ্রামীর সংকোচন প্রসারন।
তোমরা যদি শিদুরকে তারঁকাটায় বেধে রাখার জন্য যুদ্ধ করো, তাহলে আমিও যাবো সেই শিদুর যুদ্ধে, শুভমের নামে শিদুর খেলায় তোমরা যা করছো, সেটা আর কিছু নয় -প্রকৃতিকে তারঁকাটায় বেধে রাখার ছলাকলা এন্ড এই পৃথিবীতে আর কোন তারঁকাটা থাকবে না, আজ থেকে ধ্বংশ যাক যত শিদুর প্রাচীর। কিছু আমুদি লোক এই পুরো পৃথিবীটাকে তারকাটায় বেধে কাধে ঝুলিয়ে বয়ে বেড়াচ্ছে, আমি তুমি আমরা সবাই সেই পিঞ্জরে ছটফট করছি, ভেবেছ কেউ দেখছে না, কেউ শুনছে না- এক মহাকারিগড় সব দেখছে, সবই শুনছে। যুদ্ধ নয় শান্তির নামে ওরা যতো আজগুবি কথা বলছে, ওদের বলে দিও “আমি ক্ষ্যাপা দুর্বাসা বিশ্বামিত্র শিষ্য” যে দাবানলে সেই আদিম যুগ থেকে এই পৃথিবীটা জ্বলছে, সেটা আর বোধয় কারো নিয়ন্ত্রনে থাকছে না।
র্জডান হাটছে ভীম রোড ধরে, কি যেনো তাকে স্থির হতে দিচ্ছে না, সেদিন থেকে জর্ডান এখনো স্থির হতে পারছে না, শিদুর প্রাচরে এসে দাড়োলেই আরো ছটফট করে উঠছে সে - হ্যা, “পঞ্চগড়টা হচ্ছে র্দুগনগড়ী, এখানে শেরে বাংলা পার্কে দাড়িয়ে- সরবে যা বলবে, সারা পৃথিবীর মানুষ সেটা শুনতে পাবে, কি বিশ্বাস হচ্ছে না? তাহলে একদিন সময় করে অবশ্যই বলবে, কাঞ্চনজঙ্গার ওপাশ থেকে কোন তোমার কথাটা রির্টান হয়ে আসুক আর না আসুক, পেছনে সারা বাংলাদেশ থেকে যে ব্যাকেন্ড পাবে সেটাও কিন্তু কম না। কত জ্বলন্ত ছিলো অনুভূতিটা, ব্যাকেন্ডেই র্জডান পুরো সুস্থ্য উঠেছে কিন্ত বিশ্বাস করো অনুভুতিটা একটুও বদলে যায় নি; প্রায়ই নীল কান্নার চাদরে ঢেকে রাখতো তাকে।
জর্ডান ভেঙ্গে পড়া প্রতিটা টুকরো আবার সযতনে সাজিয়ে ফেলেছে, উঠে দাড়িয়েছে সেই শিদুরের প্রাচীরে, ওখানেই তো তার অনুভুতিগুলোকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিলো। শিদুর যেনো শিরশিরে অনুভুতির পাঁজরে জমে থাকা নীল কষ্ট, চুড়ি হয়ে যাওয়া স্বপ্নভরা পূন্যভূমি। কন্ঠ বের হয়ে আসা চাপা আত্বঃকথা আরো শক্ত করে তোলে জর্ডান কে, শক্ত খুব শক্ত জগদ্দলের মতো শক্ত, চুড়ি হতে পারে তবে আপনাআপনি আর কখনোই ভাঙ্গবে না । কিন্তু সমস্যাটা অন্যখানে, এই শিদুর প্রাচীরে এসে দাড়ালেই জর্ডানের সত্তা নিজের কাছে খুব দুর্বোদ্ধ হয়ে উঠে, একদম জংলী, আর জগদ্দলের মতোই প্রিমিটিভ।
হটাৎ মনে পরে জর্ডানের, রেপ অফ লুক্রেসীতে উইলিয়ামস ঘটনাটাকে সেই একই প্যার্টানে উপস্থাপন করলেও- সে কিন্তু বলেছিলো, ঐ কথাটা কিন্তু সে বলেছিলো। বেখায়ালিভাবে কাবির সিং যখন শিদুর প্রাচীরে নিজের সাথে লড়াই করছিলো, সবার মতো কিন্তু সে করে নি, রেজারটা হাতে নিয়ে কিছুক্ষন দাড়িয়ে থেকে, রেজারটা ঢুকিয়ে দিয়েছিলো প্যান্টের ভেতর আর তারপর রক্ত কিন্তু সেটা নিজেরই ।
হাটতে হাটতে কি যেনো ভেবে হেসে ওঠে র্জডান-
”স্টুপিড, সপ্নের একটু রং চুড়ি হারিয়েছে, আর ভাবছো, স্বপ্ন চুড়ি হয়ে গেছে। বোকা কেউ কি কারো স্বপ্ন চুড়ি করতে পারে। যেটা তোমার সেটা তোমারই”
ভীম রোডের মোড়ে গিয়ে উইলিয়ামস আর কাবির সিং এসে পাশে দাড়ায় র্জডানের । র্জডান যেনো সজীবতা ফিরে পায়। দীর্ঘ নিরবতার পর সরব হয়ে ওঠে র্জডান-
“না- মহারাজ, কখনোই তার চুড়ান্ত ডিজাইন কারো কাছে শেয়ার করে না। কখনো কখনো তো নিজের কাছেও না “
Comments
Post a Comment